প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে চা শ্রমিকদের মজুরি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১৭০ টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্তের পর আন্দোলনকারী সংগঠন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা কাজে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
চা শ্রমিকদের একাংশ এ
ঘোষণার পর আনন্দ মিছিলও বের করে, যদিও তাঁদের অনেকে বলেছেন মাত্র ৫০ টাকা বেতন
বৃদ্ধিতে এ বাজারে চলা দায়।
দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকা করার
দাবিতে চা শ্রমিকদের আন্দোলনের ১৯তম দিনে গতকাল ২৭ আগস্ট সন্ধ্যায় চা বাগান মালিকদের
সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের পর নতুন এই মজুরির ঘোষণা আসে।
হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের
শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন চা বাগানের শ্রমিকরা এ ঘোষণা শোনার জন্য সমবেত হয়েছিলেন।
ঘোষণার পর ব্যক্ত
প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল সংবাদ
মাধ্যমকে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ১৭০ টাকা মজুরি ঘোষণা করা হয়েছে।
আমরা ১৯ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছি। এ ঘোষণায় আমরা খুশি। কাল থেকে আমরা
শ্রমিকদের কাজে যোগদানের জন্য বাগানে বাগানে খবর পাঠাচ্ছি।”
একই সংগঠনের সাংগঠনিক
সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তে আমরা রাজি। কারণ শ্রমিকরা তাঁদের
বক্তব্যে বারবার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যা বলবেন আমরা তাতেই রাজি থাকব এবং কাজে
ফিরে যাব।”
কাজে যাবেন কিনা জানতে
চাইলে হবিগঞ্জের চান্দপুর চা বাগানের শ্রমিক ভাস্কর ভৌমিক বলেন, “১৯
দিন ধরে আন্দোলন করেছি। মজুরি ৫০ টাকা বেড়েছে। তাতে এ বাজারে চলা দায়। তারপরও কাল
থেকে কাজে যাব।”
বাংলাদেশ চা শ্রমিক
ইউনিয়নের সিলেট ভ্যালির সভাপতি রাজু গোয়ালা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নিজে
মজুরি বাড়িয়েছেন। আমি মনে করি, সবার সেটা মানা উচিত।”
চা শ্রমিক নেতারা সবাইকে কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন