চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১
চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

চট্টগ্রাম সংবাদ

৩টি শাবকসহ বর্তমানে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় মোট বাঘের সংখ্যা ১৭টি। এর মধ্যে ৫টি বাঘ ও ১২টি বাঘিনী। এখানে সাদা বাঘও রয়েছে।

বেড়ে উঠছে ৩ ব্যাঘ্র শাবক

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : সোমবার, ২০২৪ এপ্রিল ০১, ১২:২১ অপরাহ্ন
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বাঘ জো বাইডেন ও বাঘিনী জয়ার সংসারে জন্ম নেয়া তিনটি শাবক কোলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ও তাঁর সহধর্মিনী।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের প্রগাঢ় তত্ত্বাবধানে বেড়ে উঠছে ৩ ব্যাঘ্র শাবক। নগরীর ফয়স লেকস্থ চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাঘ জো বাইডেন ও বাঘিনী জয়ার সংসারে জন্ম নেওয়া ৩ শাবকের নাম রাখা হয়েছে- প্রকৃতি, শ্রোতস্বিনী ও রূপসী। বাঘিনী জয়ার জন্ম ২০১৮ সালের জুলাইয়ে আর বাঘ জো বাইডেনের জন্ম ২০২০ সালে ২৮ ডিসেম্বর।

 

৩১ মার্চ রবিবার সকালে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান ও তাঁর সহধর্মিনী চট্টগ্রাম লেডিস ওয়েলফেয়ার ক্লাবের সভাপতি তানজিয়া রহমান। পরিদর্শনকালে সেখানে উপস্থিত ছিলেন কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আরাফাত সিদ্দিকী, চিড়িয়াখানার সদস্যসচিব ও এনডিসি হুছাইন মুহাম্মদ, স্টাফ অফিসার-টু-ডিসি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন, জেলা নাজির মো. জামাল উদ্দিন ও চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহাদাৎ হোসেন শুভ।

 

এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, ২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুটি রয়েল বেঙ্গল টাইগার চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আনা হয়েছিল। সে দুটি বাঘ বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ৩টি শাবকসহ মোট বাঘের সংখ্যা ১৭টি। এর মধ্যে ৫টি বাঘ ও ১২টি বাঘিনী। এখানে সাদা বাঘও রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ধরণের পশু-পাখি এই চিড়িয়াখানার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করেছে। এ চিড়িয়াখানায় শুধু বাংলাদেশের নয়,  রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও ১ মাস বয়সী তিনটি ব্যাঘ্র শাবকসহ বিভিন্ন পশু-পাখি দেখতে দেশের বাইরে থেকেও বিদেশী পর্যটকেরা আসা শুরু করেছেন।

 

তিনি বলেন, চিড়িয়াখানার পার্শ্ববর্তী ১০ একর জমি দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ দখলদারদের দখলে ছিল, বিভিন্ন সময়ে বিশেষ করে বর্ষাকালে পাহাড় ধ্বসে এখানে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। গত বছরের জুলাই মাস থেকে উচ্ছেদের মাধ্যমে জায়গাগুলো উদ্ধার করে সরকারের দখলে নিয়ে আসা হয়েছে। চট্টগ্রামের জনসাধারণের আগ্রহের কথা চিন্তা করে সেখানে আমরা একটি বার্ডস পার্ক করার জন্য পরিকল্পনা করেছি। ইতোমধ্যে আমেরিকার ফ্ল্যামিংগো, কিছু ম্যাকাও এবং পেলিক্যানসহ বিভিন্ন ধরণের কিছু পাখির ওয়ার্ক-অর্ডার দেওয়া হয়েছে, এর বাইরে কিছু পেলিক্যান ও কিছু ম্যাকাও পাখি পাওয়া গেলে চট্টগ্রামে আর্ন্তজাতিক মানের একটি স্বয়ং সম্পূর্ণ বার্ডস পার্ক করতে পারবো বলে আশা রাখি। এছাড়া জঙ্গল সলিমপুর ও ফটিকছড়িসহ যেখানে পাহাড়-পর্বত-টিলা রয়েছে সেখানে উপযুক্ত যায়গা পাওয়া গেলে সেখানে নাইট সাফারী পার্ক করার পরিকল্পনা রয়েছে। যেখানে পাশু-পাখিগুলো খোলা জায়গায় থাকবে এবং মানুষের চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট পথ থাকবে।


- মা.ফা.  

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

Video