সুশাসনকে
সুসংহত করতে কিছু টুল’স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন সেবার মান উন্নয়ন, নাগরিক সেবাকে
সহজ ও জনবান্ধব করা, সেবাগুলোকে জনগণের প্রত্যাশার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ করা। টুল’সগুলোর
মূল উপজীব্য হচ্ছে ইনোভেশন। এছাড়াও এসডিজি’র কথা আমরা সবাই শুনেছি। এসডিজি ১৬ দশমিক ৬ অনুচ্ছেদে
বলা আছে, সরকারের সেবায় জনগণের সন্তুষ্টি বিধান করতে হবে। এর অর্থ ইনোভেশন শুধু বাংলাদেশে
নয় বৈশ্বিক পরিম-লেও স্বীকৃত। তাই ইনোভেশন ছাড়া এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না। বিভাগীয়
পর্যায়ের দুই দিনব্যাপী ‘ইনোভেশন শো-কেসিং’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা
বলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে
অতিরিক্ত সচিব আরো বলেন, সরকার ইনোভেশনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছে। ইনোভেশনকে প্রাতিষ্ঠানিক
রূপদানের ফলে সেবা সহজীকরণে অনেক কিছু উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়েছে। এর সুফল পাচ্ছে দেশের
সাধারণ জনগণ। কৃষকের জানালা, জমির ই-নামজারি, জমির খাজনা প্রদান, অনলাইন জিডি, ই-পাসপোর্ট,
ই-টিকেটিং, স্থায়ী বাসিন্দা সনদ অনলাইন ভেরিফিকেশন, প্রবাসীকল্যাণ ডেস্ক ও হটলাইন,
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ই-লার্নিং সিস্টেম ও ই-লার্নিং সেন্টার স্থাপনসহ অসংখ্য মাধ্যমে
দেশের জনগণ কম সময়ে, কম টাকায়, ঘরে বসে সেবা নিতে পারছে।
২৩ মার্চ
শনিবার চট্টগ্রাম বিভাগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত নগরীর শাহ
ওয়ালী উল্লাহ ইনস্টিটিউটে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, সিটি কর্পোরেশনসহ চট্টগ্রাম
বিভাগের ১১ টি জেলা, উপজেলা, সরকারি ও বেসরকারি মোট ১৯ টি প্রতিষ্ঠান ইনোভেশন শোকেসিং-এ
অংশ নিয়েছেন।
বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিপিটি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক ও সিপি অধিশাখার যুগ্ম সচিব মো. জাহাঙ্গীর হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি।
- মা.ফা
মন্তব্য করুন