চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১
চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

স্বাস্থ্য

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন স্বাস্থ্য বিভাগ ও আরবান প্রাইমারী হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারী প্রকল্পে কর্মরত হেলথ ওর্য়াকার, ষ্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ, মাঠকর্মী, ভ্যাকসিনেটর, স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী, স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে।

চট্টগ্রাম নগরীর ডেলিভারী প্রকল্পের ভ্যাকসিনেটর ও নার্সদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : সোমবার, ২০২২ নভেম্বর ০৭, ০৫:০২ অপরাহ্ন
ইপিআই ও চাইল্ড হেলথ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও প্রকল্প প্রধান ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন স্বাস্থ্য বিভাগ ও আরবান প্রাইমারী হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারী প্রকল্পের অংশীদারি চুক্তির আওতায় কর্মরত হেলথ ওর্য়াকার, ষ্টাফ নার্স, মিডওয়াইফ, মাঠকর্মী, ভ্যাকসিনেটর, স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারী, স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যাচ অনুযায়ী ইপিআই ও চাইল্ড হেলথ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

৬ নভেম্বর রবিবার সকালে ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী এন্ড ম্যাট্স কার্যালয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও প্রকল্প প্রধান ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, জোনাল মেডিকেল অফিসার ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ডা. তপন কুমার চক্রবর্তী, ডা. হাসান মুরাদ চৌধুরী, ডা. সুমন তালুকদার, ডা. জুয়েল মহাজন, ডা. মো. মুজিবুল আলম চেীধুরী, এসআইএমও ডা. সরওয়ার আলম, প্রজেক্ট অফিসার আনসার আহমেদ ও মো. আরিফুর রহমান প্রমুখ।

 

প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী বলেন, মা ও শিশুর জীবন রক্ষায় ইপিআই কর্মসূচী জনমুখী ও স্বাস্থ্য সেবামূলক কাজ, যা আজ সারা বিশ্বে প্রশংসিত। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সকল সরকারী, বে-সরকারী সংস্থার সহযেগিতায় ইপিআই কার্যক্রমগুলো নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে ৭টি ইপিআই জোনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে আসছে। ইপিআই সদর দপ্তরের গাইড লাইন অনুযায়ী এই প্রশিক্ষণে ইপিআই কর্মসূচীর সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা, কর্মচারীকে অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে।

 

প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, কোভিড-১৯ এর কারনে দীর্ঘ দুইবছর আমরা শিশুটিকা প্রাপ্তির হার শতভাগ অর্জন করতে পারিনি। যার কারনে কিছু কিছু লেফট-আউট ও ড্রপ-আউট রয়েছে। প্রতি ঘরে-ঘরে ও মহল্লায় গিয়ে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা প্রদানের আওতায় আনার জন্য সকল স্বাস্থ্য কর্মীদের নির্দেশনা দেন তিনি।

 

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ১০০ জনের অধিক ষ্টাফ নার্স, মাঠকর্মী ও ভ্যাকসিনেটর অংশগ্রহণ করেন।

- ই.হো

 

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

Video