চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১
চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

স্বাস্থ্য

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুর অপুষ্টি, রাতকানা রোগ প্রতিরোধ, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত, হাম, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াজনিত মৃত্যুর হার হ্রাসসহ সকল ধরণের মৃত্যুর হার হ্রাস করে।

চট্টগ্রাম জেলা পর্যায়ে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বুধবার, ২০২৩ ডিসেম্বর ১৩, ০১:৪৩ অপরাহ্ন
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলা ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে জেলা পর্যায়ের জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী।

সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রাম জেলা পর্যায়েও জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৩। মিরসরাই উপজেলা সদরের মিরসরাই ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে একটি শিশুকে ভিটামিন ক্যাপসুল খাইয়ে দিয়ে জেলা পর্যায়ের জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী।

 

১২ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইর  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের জেলা স্বাস্থ্য তত্ত্বাবধায়ক সুজন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহফুজা জেরীন। বক্তব্য রাখেন এমটি (ইপিআই) কবির হোসাইন ও হেলথ এডুকেটর প্রবীর মিত্র। চিকিৎসক, নার্স, জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 

জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী বলেন, সরকারের সকল মন্ত্রনালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতায় ইতোমধ্যে আমরা যেভাবে করোনা মোকাবিলায় সক্ষম হয়েছি, ঠিক একইভাবে জাতীয় ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নও অত্যন্ত প্রশংসনীয় হবে। ৬-১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (১ লক্ষ আই.ইউ) ও ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল (২ লক্ষ আই.ইউ) খাওয়ানো হচ্ছে।  শিশুর বয়স ৬ মাস পুর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমাণ মত ঘরে তৈরী সুষম খাবার দিতে হবে। ভিটামিন ক্যাপসুল শিশুর অপুষ্টি, রাতকানা রোগ প্রতিরোধ, দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত, হাম, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াজনিত মৃত্যুর হার হ্রাসসহ সকল ধরণের মৃত্যুর হার হ্রাস করে।

 

তিনি বলেন, কোন শিশু যাতে ভিটামিন ক্যাসসুল খাওয়া থেকে বাদ না পড়ে সে লক্ষ্যে বিভাগের প্রত্যেক জেলা, মহানগর, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে জনগণকে জানান দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি মসজিদ, হাটবাজার, বাস স্ট্যান্ড, নৌ-ঘাটসহ গুরুত্বপূর্ণস্থানেও ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রচার-প্রচারণা চালানো হয়েছে। সরকারী প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, আনসার-ভিডিপি ও এনজিও সংস্থাগুলো ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনের কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইনের যে কোন ধরণের অপপ্রচার ও গুজব রোধে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কন্ট্রোল রুম খোলা রাখা  হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্য  মন্ত্রনালয়ের বিশেষ টিমগুলো ভিটামিন প্লাস ক্যাম্পেইন মনিটরিং করছেন। মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমেও এ কার্যক্রম মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।


- মা.ফা.

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

Video