চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১
চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

বন্দর

এখন থেকে চ্যানেলের ব্যবহার, সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ পরিপূর্ণভাবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উপর ন্যাস্ত থাকবে। এ চ্যানেলের মাধ্যমে আগত সমুদ্রগামী জাহাজের পোর্ট ডিউজ, বার্থ হায়ার চার্জ, পাইলটিং, টাগ চার্জ, বার্থিং-আনবার্থিং ও অন্যান্য চার্জ আদায় করবে চবক।

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে হস্তান্তর

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২০২৩ সেপ্টেম্বর ২১, ০১:৪২ অপরাহ্ন
বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল-এর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ।

মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)। বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোহায়েল-এর কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেন সিপিজিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ।

 

২০ সেপ্টেম্বর বুধবার চট্টগ্রাম বন্দর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, বিশেষ অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল ও বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. হাবিবুর রহমান। চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, চবক-এর সদস্যগণ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক-১, মহাপরিচালক (প্রশাসন), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, কাস্টমস কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ, চবক-এর বিভাগীয় প্রধানগণ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

 

গত ১৬ নভেম্বর ২০২২ ইং তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দরের চ্যানেল হস্তান্তর বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভার সিদ্ধান্তের আলোকে মাতারবাড়ি চ্যানেলটি সিপিজিসিবিএল কর্তৃক চবক-এর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

 

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল গ্রহণের ফলে এখন থেকে চ্যানেলের ব্যবহার, সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ পরিপূর্ণভাবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের উপর ন্যাস্ত থাকবে। এ চ্যানেলের মাধ্যমে আগত সমুদ্রগামী জাহাজের পোর্ট ডিউজ, বার্থ হায়ার চার্জ, পাইলটিং, টাগ চার্জ, বার্থিং-আনবার্থিং ও অন্যান্য চার্জ চবক কর্তৃক আদায় করা হবে। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আদায় হবে যা দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখবে।

 

উল্লেখ্য সরকারের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে সিপিজিসিবিএল কর্তৃক মাতারবাড়ি ২×৬০০ মে.ও. কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় ১৪.৩ কি.মি. দীর্ঘ, ২৫০ মিটার প্রস্থ ও ১৮.৫ মিটার (এমএসএল) গভীরতার একটি চ্যানেল খনন করা হয়। পরবর্তীতে মাতারবাড়ি বন্দর নির্মাণের জন্য ২৯/১১/২০১৮ সালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী চ্যানেলের প্রশস্ততা ১০০ মিটার বর্ধিত করে ৩৫০ মিটারে উন্নীত করা হয়। নির্মিত চ্যানেল ও হারবার নিরাপদ ও সুরক্ষিত করার জন্য সিপিজিসিবিএল কর্তৃক ১,৭৫৩ মিটার উত্তর ব্রেকওয়াটার, ৭১৩ মিটার দক্ষিণ ব্রেকওয়াটার এবং উত্তর দিকে ১৮০২.৮৫ মিটার রিভেটমেন্ট নির্মাণ করা হয়।


- মা.ফা.

 

 

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

Video