চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১
চট্টগ্রাম শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১

আইন-আদালত

গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক সমন্বয় সভা

নিউজ ডেস্ক
প্রকাশিত : বুধবার, ২০২৪ Jun ০৫, ০১:৩৮ অপরাহ্ন
চট্টগ্রাম নগরীর পিটিআই মিলনায়তনে আয়োজিত চট্টগ্রাম জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভায় বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক লুৎফুন নাহার।

নিম্ন ও উচ্চ আদালতে মামলার জট কমাতে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ বর্তমান সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ- চেয়ারম্যান, ইউপি সচিব ও মেম্বারগণ আরও আন্তরিক হলে গ্রাম আদালতের সার্বিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে মন্তব্য করেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) লুৎফুন নাহার। তিনি বলেন, ফৌজদারী মামলা ৩০ দিনে ও দেওয়ানী মামলা ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। সরকারী ছুটির দিনে মামলা পরিচালনা করা যাবে না। প্রত্যেক গ্রাম আদালতে মাসে কমপক্ষে ৫টি মামলা নিষ্পত্তিসহ রেজিষ্টারভূক্ত করে জেলা কার্যালয়ে প্রতিবেদন আকারে পাঠাতে হবে।

 

৪ জুন মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম নগরীর পিটিআই মিলনায়তনে আয়োজিত চট্টগ্রাম জেলা পর্যায়ে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও করণীয় শীর্ষক অর্ধ-বার্ষিক সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সভার আয়োজন করে।

 

সভায় মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে ২০২৩-২০২৪ কার্যক্রমের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জসমূহ, শিক্ষনীয় দিকসমূহ, গ্রাম আদালতে বিচার প্রক্রিয়া, মামলার নথি প্রস্তুত ও রেজিস্টার সমূহের ব্যবহার এবং সুবিধাভোগীর ভিডিও উপস্থাপন করেন ইউএনডিপির এভিসিবি-৩ প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার মো. সাজেদুল আনোয়ার ভূঁঞা। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার শাহীদ ইশরাকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহফুজা জেরীন, প্রকল্প বাস্তবায়ন সহযোগী সংস্থা ইপসার প্রধান নির্বাহী মো. আরিফুর রহমান, রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার মারজাহান হোসাইন, পটিয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার প্লাবন কুমার বিশ্বাস ও আনোয়ারা উপজেলার সহকারী কমিশনার হুছাইন মুহাম্মদ।

 

স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক (ডিডিএলজি) বলেন, মানুষ যাতে গ্রাম আদালতের বিচার ব্যবস্থার উপর আস্থা না হারায় সে জন্য জনপ্রতিনিধিদেরকে নিরপেক্ষভাবে বিচারকাজ সম্পন্ন করতে হবে। কোন কোন ইউনিয়নে মামলা একেবারেই জিরো, এলাকা শান্তিপূর্ণ থাকলে ভালো, নইলে এটা আমাদের কাম্য নয়। গ্রাম আদালত সক্রিয় করলে গ্রামে শান্তি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠির সহজে, কম খরচে, স্বল্প সময়ে, সঠিক বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে।

 

জেলার ১৫ উপজেলার ১৯১টি ইউনিয়ন পরিষদের সচিবগণ সভায় উপস্থিত থেকে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন।


- মা.ফা.

 

 

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

মন্তব্য করুন

Video