বিশ্বে মানুষের
মৃত্যুর সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি হার্ট অ্যাটাক। অসংক্রামক ব্যাধির মধ্যে হদরোগ বিশ্বব্যাপী
ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। ধূমপান, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও হাঁটাচলা না করার কারণে হৃদরোগের
ঝুঁকি বাড়ছে। বিশ্বে এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুর জন্য দায়ী হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ। বাংলাদেশেও
হার্ট অ্যাটাক বা হৃদরোগ এখন খুবই সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে
চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথির
বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ হাইপারটেনশান এন্ড হার্ট ফেইলিওর ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট
অধ্যাপক (ডা.) প্রবীর কুমার দাশ।
তিনি বলেন, হৃৎপিন্ড
থাকলেই হৃদয়বান হওয়া যায়না। হার্টকে নিয়মিত চেকআপে রাখতে হবে। করোনাকালীন সময়ে যারা
মৃত্যুবরণ করেছে তাদের মধ্যে অধিকাংশেরই মৃত্যু হার্ট অ্যাটাকে। মানুষকে হার্ট অ্যাটাকের
ঘাতক ব্যাধি থেকে বাঁচাতে হলে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সর্বত্র সচেতনতা সৃষ্টি করতে
হবে।
আজ ২৯ সেপ্টেম্বর
বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে
আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের
তত্ত্বাবধায়ক ও উপ-পরিচালক ডা. সেখ ফজলে রাব্বি।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ
ও জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী। জেনারেল হাসপাতালের কনসালটেন্ট (অ্যানেস্থেসিয়া)
ডা. মৌমিতা দাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশ্ব হার্ট দিবস সম্পর্কে মূল প্রবন্ধ
উপস্থাপন করেন সিনিয়র কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি) ডা. আবুল হোসেন শাহীন।
দিবসটির এবারের
প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘হৃদয় দিয়ে হৃদয়কে ভালোবাসুন, পরিবেশ ও
প্রকৃতিকে রক্ষা করুন’। সেমিনার শেষে দিবসটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য
র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে হাসপাতালের
সিনিয়র-জুনিয়র কনসালট্যান্ট, মেডিকেল অফিসার, নার্স ও কর্মচারীবৃন্দ অংশ নেন।
- মা.ফা