এই নির্বাচনে
ফয়সালা হবে দেশের সার্বভৌমত্ব থাকবে, নাকি সমুদ্রের একটি দ্বীপ অন্য একটি দেশের কাছে
হস্তান্তর করা হবে? দেশ কি পাকিস্তান হবে, নাকি বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যহত থাকবে? সেটি ফয়সালা করার নির্বাচন। এবারের
নির্বাচন দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখন্ড রক্ষার নির্বাচন।
বাংলাদেশ আওয়ামী
লীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ২৪ জুন শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু
হলে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
হয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এসব কথা বলেন।
তথ্য ও সম্প্রচার
মন্ত্রী বলেন, দেশ যখন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতার
স্বপ্ন পুরনের পথে, মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন পূরনের পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে, ঠিক
তখনই দেশীয় ও আন্তর্জাতিক অপশক্তি দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। বিএনপি-জামাত দেশের
বিরুদ্ধে লবিস্ট নিয়োগ করেছে। সেই লবিস্টের জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে।
তারা ডলারের বিনিময়ে ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের কাছ থেকে চিঠি ক্রয় করেছে। ইউরোপীয়ান
পার্লামেন্টের সদস্য সংখ্যা ৭০৫ জন। তাদের মধ্যে মাত্র ৫ জন কংগ্রেসম্যান চিঠি দিয়েছে।
তা দেখে মির্জা ফখরুল পুলকিত। আপনাদের মনে আছে ২০০২ সালে যখন বিএনপি ক্ষমতায়, তখন বিএনপি
সরকারের দমন পীড়নের বিরুদ্ধে ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টে সর্বসম্মতিক্রমে রেজুলেশন পাস
হয়েছিল।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আরো বলেন, পত্রিকায় দেখলাম
এ্যামেনিস্টি ইন্টারন্যাশনাল একটি বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে লেখা আছে, আমাদের আইন শৃঙ্খলা
রক্ষাকারী বাহিনীতে যারা মানবাধিকারের বিরুদ্ধে কাজ করবে তাদেরকে শান্তি রক্ষা মিশন
থেকে যেন বাদ দেয়া হয়। আমরা এ্যামনিস্টি ইন্টারন্যাশনালকে চিনি। তারেক রহমানের বেয়াইন
আইরিন খান আগে এ্যামনিস্টির জেনারেল সেক্রেটারী ছিলেন। এখনো সংস্থাটির সাথে তিনি যুক্ত
আছেন। যখন যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়েছিল তখন এই এ্যামনিস্টি ইন্টারন্যাশনাল তাদের
বিচার বন্ধ করার জন্য বিবৃতি দিয়েছিল। এ্যামনিস্টি ২০১৩, ১৪, ১৫ সালে বিএনপি যখন মানুষ
পুড়িয়ে হত্যা করেছিল, তার বিরুদ্ধে কোন বিবৃতি
দেয়নি। আর একটা সংগঠন আছে, হিউম্যান রাইট ওয়াচ। তারাও মাঝে মধ্যে বিবৃতি দেয়। তাদের
বিবৃতি কিভাবে হয়, কোথায় ড্রাফট হয়, কিসের বিনিময়ে এই বিবৃতি আসে, সেটা আমরা ভালো করে
জানি। যারা যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষা করার জন্য বিবৃতি দেয়, কিন্তু ফিলিস্তিনে যখন পাখির
মতো মানুষ শিকার করা হয়, তখন তারা বিবৃতি দেয়না। সুতরাং, আমাদের দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে
বিবৃতি দেওয়ার তাদের কোন নৈতিক অধিকার নেই।
এসময় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ সালাম-এর সভাপতিত্বে সাংসদ খাদিজাতুল আনোয়ার সনি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মঈনুদ্দীন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, আফতাব উদ্দিন চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন মুহুরী, এসএম রাশেদুল ইসলাম, দিলোয়ারা ইউসুফ, মো. সেলিম উদ্দিন, মাহাবুবুর রহমান রুহেল প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
- প্রেস বিজ্ঞপ্তি