জাতির জনক বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমানের কারনেই আজ আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ার
যোগ্যতা অর্জন করেছি। তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে যারা বাঙ্গালী জাতির গায়ে কলংক
লেপন করেছে, তাদের এবং তাদের বংশধরদের এজাতি কখনোই ক্ষমা করবে না। চিটাগাং উইম্যান
চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির
বক্তব্যে এ কথা বলেন মনোয়ারা হাকিম আলী।
১৫ আগস্ট দুপুরে চিটাগাং
উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সেমিনার হলে আয়োজিত বাঙ্গালী জাতির
মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের
আলোচনা সভায় উইমেন চেম্বারের সভাপতি মনোয়ারা হাকিম আলী সভাপতিত্ব করেন। সভায়
বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকান্ড ও স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদান ও যুদ্ধ
পরবর্তী সময়ে দেশ গঠনের ভূমিকা নিয়ে আলোকপাত করেন সাবেক মহিলা সাংসদ সাবিহা নাহার
বেগম।
আলোচনা সভায় চিটাগাং
উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট আবিদা
মোস্তফা তার বক্তব্যে বলেন আমরা অত্যন্ত অকৃতজ্ঞ জাতি। যার ডাকে এবং নেতৃত্বে
মাত্র নয় মাস যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলাম, চার বছরের মাথায় আমরা তাকে
নৃশংসভাবে হত্যা করেছি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে যে ক্ষতি আমাদের হয়েছে, তা
কখনোই শোধ হবার নয়। এছাড়া উপস্থিত চিটাগাং উইম্যান চেম্বারের পরিচালক ও সদস্যবৃন্দ
বঙ্গবন্ধুর কীর্তিময় জীবনের উপর আলোকপাত করেন।
জাতীয় শোক দিবসে আলোচনা
সভা ছাড়াও চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব
কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দিনব্যাপী নানান কর্মসূচী পালন করে। সকাল ৯টায় শোকর্যালীর
মাধ্যমে দিবসের কর্মসুচী শুরু করা হয়। এরপর চেম্বার নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম জেলা
শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা
জানান। সকাল ১১.৩০ টায় চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির
সেমিনার হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদ সদস্যের রুহের
মাগফেরাত কামনা করে মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই সময়ে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত
কামনার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ
হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যায়
দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
- নু.বা