সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২৩ উপলক্ষে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২১ নভেম্বর মঙ্গলবার সকালে
ঢাকা সেনানিবাসের শিখা অনির্বাণে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকারী সশস্ত্র বাহিনীর বীর শহীদদের
স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌ ও
বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল এসময় গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় বিউগলে করুণ সুর
বেজে ওঠে।
পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্ব প্রাপ্ত শেখ হাসিনা শিখা অনির্বাণ প্রাঙ্গণে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে স্বাক্ষর
করেন।
পূর্বে শিখা অনির্বাণে পৌঁছলে
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী
প্রধান অ্যাডমিরাল এম. নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল
হান্নান এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল
ওয়াকার-উজ-জামান।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী
সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে যান। সেখানে তাঁর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক
আহমেদ সিদ্দিক এবং তিন বাহিনীর প্রধানরগণ তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনী
বিভাগে পৌঁছলে পিএসও এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের মহাপরিচালকরা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ
চলাকালে এই দিনে সেনাবাহিনী, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত
হয় এবং তারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ওপর সর্বাত্মক আক্রমণ শুরু করে যা মুক্তিযুদ্ধের
বিজয়কে ত্বরান্বিত করে।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ঐতিহাসিক এই দিনটি প্রতিবছর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- মা.ফা