১৯ অক্টোবর বুধবার
বিকেলে ১নং করেরহাট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে উপজেলার করেরহাট
বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলটি করেরহাট বাজরের
বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, বাজারের ব্যবসায়ী এবং
স্থানীয় জনতা এতে অংশগ্রহণ করে। মিছিল শেষে করেরহাট বাজারে একটি প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত
হয়।
প্রতিবাদ সভায়
বক্তারা বলেন, ফেনী নদীর মিরসরাই অংশে সরকারি কাজের জন্য বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে
বারইয়ারহাট পৌরসভার মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম খোকনসহ তার
সহযোগীরা গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেয়র খোকন ও উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার
সম্পাদক কামরুল হোসেনসহ মোট ২২ জনকে বিবাদী
করে ফেনী জেলার ফাজিলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রিপনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক
বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা দায়ের করেন। অপরাধীরা অপরাধ করেও ক্ষান্ত হয়নি। তারা নিরীহ
ও আওয়ামীলীগ নেতাদের বাছাই করে ষড়যন্ত্রমুলক মিথ্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ
মিছিল ও প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় বক্তারা আরো বলেন, অনতিবিলম্বে মেয়র ও
আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হলে আরো কঠোর
কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এছাড়া মেয়রের উপর গুলির ঘটনায় রিপন চেয়ারম্যানসহ ঘটনার সাথে
জড়িত সকল অপরাধীর শাস্তির দাবী করেন তারা।
প্রতিবাদ সভায়
রিপন চেয়ারম্যানের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। সভায় বিভিন্নস্থরের নেতাকর্মীদের সাথে
উপস্থিত ছিলেন করেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এনায়েত হোসেন নয়ন, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের
সভাপতি সুলতান গিয়াস উদ্দিন জসিম, আওয়ামীলীগ নেতা কামরুল হাসান প্রমুখ।
উল্লেখ্য গত ১৪ অক্টোবর সকালে ফেনী নদীর সোনাগাজী থানা এলাকায় নদীর তীরে বারইয়ারহাট পৌরসভার মেয়র রেজাউল করিম খোকনসহ তার সহযোগীদের উপর অতর্কিত হামলা করে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এসময় তাদের ছোঁড়া গুলিতে এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয় মেয়রসহ ৩ জন। তারা এখনো বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এঘটনায় সোনাগাজী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
- নাছির উদ্দিন/মিরসরাই