নির্বাচন কমিশনে
আপিল শুনানির প্রথম দিনেই প্রার্থীতা ফিরে পেয়েছেন চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে স্বতন্ত্র
প্রার্থী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। ১০ ডিসেম্বর রবিবার নির্বাচন
কমিশন মিলনায়তনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ও চার কমিশনার আপিল শুনানি
শেষে গিয়াস উদ্দিনের প্রার্থীতা ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
এরআগে মনোনয়নপত্র
যাচাই বাচাইয়ের সময় তার প্রার্থীতা বাতিল করা হয়েছিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার দেওয়া মনোনয়নপত্র
বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। এদিকে প্রার্থীতা ফিরে
পেয়ে তার কর্মী-সমর্থকরা উচ্ছ্বসিত। আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহবুবুর রহমান রুহেলকে
চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন।
প্রার্থীতা ফিরে
পাওয়ার পর গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি প্রথম ধাপে ন্যায় বিচার পেয়েছি। আমি চাই ভোটের মাধ্যমে
মানুষ তাদের জনপ্রতনিধি নির্বাচিত করুক। মিরসরাইবাসীর ভোটের অধিকার নিশ্চিত করলে আমি
বিপুল ভোটে জয়লাভ করবো।
তিনি আরও বলেন,
চট্টগ্রাম-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছি এখানকার মানুষের ভালোবাসা এবং তাদের
অনুরোধে। আমি বিশ্বাস করি মিরসরাইয়ের আপামর জনসাধারণ আমাকে বিপুল ভোটে জয়ী করবেন।
গিয়াস উদ্দিনের
প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী ও কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট বলেন, আমি
আশা করছি নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ হবে। জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে তাদের ভোটধিকার
প্রয়োগ করতে পারেন এবং এ নির্বাচনে জনগণের আশার প্রতিফলন ঘটাতে পারে সেজন্য প্রশাসনের
সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষয়ে জানতে
চাইলে মিরসরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটানিং কর্মকর্তা মাহফুজা জেরিন
বলেন, আমি এখন মিটিংয়ে আছি পরে কথা বলবো।
মিরসরাই উপজেলা
নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, প্রার্থীতা ফিরে পাওয়ার বিষয়ে এখনো অফিসিয়ালি
আমার কাছে কোন তথ্য আসেনি।
চট্টগ্রাম-১ মিরসরাই আসনে একাধিক প্রার্থী থাকলেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাহবুব উর রহমান রুহেলের সাথে গিয়াস উদ্দিনের মূল প্রতিদ্বন্ধিতা হতে পারে বলে গুঞ্জন চলছে এলাকার সর্বত্র। আগামী ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। এরপর চূড়ান্ড প্রার্থীর সংখ্যা জানা যাবে। আগামী ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
- নাছির উদ্দিন,
মিরসরাই