সাংবাদিকতা একটি
চ্যালেঞ্জিং পেশা বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো.
নিজামুল হক নাসিম বলেন, হলুদ সাংবাদিকতা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
কাজেই বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে হলুদ সাংবাদিকতা প্রতিরোধের কোন বিকল্প নেই।
বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে হবে। সংবাদে সমালোচনা
থাকবে, তবে সেটা গঠনমূলক হতে হবে।
১১ জুন মঙ্গলবার
চট্টগ্রাম নগরীর সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত ও জেলা
প্রশাসনের সহযোগিতায় ‘গণমাধ্যমে হলুদ সাংবাদিকতা প্রতিরোধ ও
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। চট্টগ্রাম জেলার প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার অর্ধশতাধিক
সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি
বলেন, হলুদ সাংবাদিকতা নির্মূল করতে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল বেশ কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ
করেছে। মূলধারার সাংবাদিকদের সংবাদ করতে গিয়ে যাতে অসুবিধায় পরতে না হয় সেজন্য বর্তমানে
সাংবাদিক হওয়ার আবেদন করলে তাকে ন্যূনতম স্নাতক পাশ হতে হবে। তাছাড়া যারা স্নাতক পাশ
করেননি কিন্তু ৫-১০ বছর ধরে কাজ করছেন তাদের ক্ষেত্রে এ নিয়ম শিথিল করা হয়েছে, তবে
সেক্ষেত্রে তাদের কাজের শুরুর যোগদানপত্র উপস্থাপন করতে হবে। এছাড়াও আগামীতে সাংবাদিকতার
পেশায় কেউ আসতে চাইলে তাকে পরীক্ষার মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে, এমন সম্ভাবনার কথাও
উল্লেখ করেন তিনি।
কর্মশালায় সাংবাদিকতার
নীতিমালা এবং প্রেস কাউন্সিল প্রণীত আচরণবিধি এবং প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট ১৯৭৪-এর আলোকে
সাংবাদিকদের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (অতিরিক্ত সচিব) শ্যামল চন্দ্র
কর্মকার রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা
ও আইসিটি) মো. সাদি উর রহিম জাদিদ’র সভাপতিত্বে
স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক মো. সাঈদ হাসান। এছাড়া চট্টগ্রাম
প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি চৌধুরী ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক দেব দুলাল ভৌমিক বক্তব্য
রাখেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে প্রধান অতিথি উপস্থিত সাংবাদিকদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।
- মা.ফা.